গ্রামীণ অর্থনীতিতে গরু শুধু সম্পদ নয়, অনেক পরিবারের জীবিকার বড় ভিত্তি। সেই গরু চুরির ঘটনা বাড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই রাঙ্গুনিয়ায় চোরাই গরু কেনাবেচা রুখতে মাঠে নামে পুলিশ।
শনিবার বিকেলে উপজেলার রানীরহাট গরুর বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা করে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা। বাজারের স্বাভাবিক কেনাবেচার ভিড়ের মধ্যেই পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থেকে সবাইকে সতর্ক করেন, কীভাবে চোরাই গরু শনাক্ত করা যায় এবং কেন এমন গরু কেনা আইনি ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।
সভায় রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরমান হোসেন বলেন, গরু চুরি বন্ধে শুধু পুলিশি অভিযান যথেষ্ট নয়, এর জন্য সাধারণ মানুষের সচেতনতা জরুরি। তিনি বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উদ্দেশে বলেন, সন্দেহজনক কোনো গরু কেনাবেচা থেকে সবাইকে দূরে থাকতে হবে।
তিনি আরও জানান, চোরাই গরু কেনাবেচার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে বা এ ধরনের তথ্য পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজার কমিটি এবং স্থানীয়দের সহযোগিতাকে এই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। তারা মনে করেন, নিয়মিত এমন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চললে গরু চুরির ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে এবং বাজারে আস্থা ফিরবে।