
কর্ণফুলী নদী ও এর শাখা নদীগুলোতে বালুমহাল ইজারা বাতিল এবং নববর্ষে নতুন ইজারা কার্যক্রম স্থগিতের দাবি জানিয়েছে রাঙ্গুনিয়া ছাত্র-জনতা মঞ্চ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সংগঠনটির সমন্বয়ক আবুবকর সিদ্দিকী মোরশেদ স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের কাছে এ দাবি জানানো হয়। স্মারকলিপিটি জেলা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, কর্ণফুলী নদী, ইছামতী নদী ও শিলক খালের বালুমহাল ইজারা জনস্বার্থ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। বিগত সময়ে অপরিকল্পিত ও বেপরোয়া বালি উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী বসতি, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে নদীভাঙন প্রতিরোধে স্থাপিত কোটি টাকার সংরক্ষণ ব্লক ধসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অবাধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং সহিংসতার ঘটনাও বেড়েছে, যা জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সংগঠনটির দাবি, বালু উত্তোলনের আগে সংশ্লিষ্ট নদীগুলোর উত্তোলনযোগ্য বালির সঠিক জরিপ এবং কার্যকর তদারকি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
তারা বাংলাদেশ গেজেট ২০২৩-এর “বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন”-এর সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর উল্লেখ করে বলেন, বিদ্যমান বালুমহালগুলো বাতিলযোগ্য। এ অবস্থায় পহেলা বৈশাখে নতুন করে ইজারা প্রদান সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও জনস্বার্থবিরোধী।
এ কারণে কর্ণফুলী নদী ও এর শাখা নদী ইছামতী এবং শিলক খালের সব বালুমহাল অবিলম্বে বিলুপ্ত করা এবং ১লা বৈশাখে ইজারা কার্যক্রম স্থগিতের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন